bd flag

বাংলা

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

একজন সত্যবাদী ব্যক্তির দেওয়া তথ্য গ্রহণ করা (৭২৪৬-৭২৬৭)

মালিক ইবন হুওয়ায়রিস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী (ﷺ)-এর কাছে এলাম। আমরা সবাই এক বয়সী যুবক ছিলাম। আমরা বিশ রাত তার কাছে অবস্থান করলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ছিলেন কোমল হৃদয়ের। তিনি যখন অনুমান করলেন যে আমরা আমাদের স্ত্রী-পরিবারের প্রতি ঝুকে পড়েছি, কিংবা আসক্ত হয়ে পড়েছি তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আমরা বাড়িতে কাদেরকে রেখে এসেছি। আমরা তাকে জানালাম। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাও এবং তাদের মাঝে অবস্থান কর, আর তাদেরকে (দ্বীন) শিক্ষা দাও। আর তাদের হুকুম কর। তিনি (মালিক) কিছু বিষয় উল্লেখ করেছিলেন, যা আমি মনে রেখেছি বা মনে রাখতে পারিনি। (নবী (ﷺ) বলেছিলেন) তোমরা আমাকে যেভাবে সালাত আদায় করতে দেখছ সেভাবে সালাত আদায় কর। যখন সালাতের সময় হাজির হয়, তখন তোমাদের কোন একজন যেন তোমাদের জন্য আযান দেয়, আর তোমাদের মধ্যে যে বড় সে যেন তোমাদের ইমামত করে।

ইবন মাসঊদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ বিলালের আযান যেন তোমাদের কাউকে নিজ সাহরী খাওয়া থেকে বিরত না করে। কেননা, সে আযান দিয়ে থাকে, কিংবা বলেছিলেন আহবান জানায়, তোমাদের যারা সালাতরত তাদের নিরত হতে আর তোমাদের ঘুমন্তদের জাগিয়ে দিতে। এরূপ হলে ফারজ হয় না- এই বলে ইয়াহ্ইয়া উভয় হাতের তালুকে একত্র করলেন (আলো উপর-নীচে দীর্ঘ হলে) বরং এমন হলে ফজর হয়, এ বলে ইয়াহ্ইয়া তার দু' তর্জনীকে ডানে-বামে বিস্তৃত করলেন।

আবদুল্লাহ ইবন উমার নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ বিলাল রাত থাকতে আযান দেয়, অতএব তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ না ইবন উম্মু মাকতূম আযান দেয়।

আবদুল্লাহ হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) আমাদের নিয়ে যুহরে পাচ রাকাত আদায় করলেন। তাকে বলা হল, সালাত কি বাড়ানো হয়েছে? তিনি বললেনঃ তোমার কী হয়েছে? তারা বললেন, আপনি পাচ রাকাত সালাত পড়েছেন। তখন তিনি সালামের পর দু'টো সাজদা দিলেন।

আবূ হুরাইরাহ হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দু' রাকাত আদায় করেই সালাত শেষ করে দিলেন। তখন যুল ইয়াদাইন তাকে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সালাত কি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে, না আপনি ভুলে গেছেন। তিনি বললেনঃ যুল ইয়াদাইন কি ঠিক বলছে? লোকেরা বলল, হ্যা। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাড়ালেন এবং অবশিষ্ট দু'রাকাত পড়লেন। তারপর তিনি সালাম ফিরালেন এবং তাকবীর বলে তার সিজদার মত কিংবা তার চেয়ে দীর্ঘ সিজদা করলেন এবং মাথা উঠালেন, তারপর আবার তাকবীর বলে তার সাজদার মত সিজদা করলেন ও মাথা উঠালেন।

আবদুল্লাহ ইবন উমার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা কু'বার মসজিদে ফজরের সালাতে ছিলেন, এমন সময় এক আগন্তুক এসে বলল, রাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উপর কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে এবং কাবার দিকে মুখ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তোমরা কাবার দিকে মুখ করে দাড়াও। তখন তাদের মুখ ছিল সিরিয়ার দিকে, অতঃপর তারা কাবার দিকে ঘুরলেন।

বারাআ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাদ্বীনাহয় আসলেন, তখন ষোল অথবা সতের মাস বাইতুল মুকাদ্দাসের দিকে মুখ করে সালাত পড়লেন। আর তিনি কাবার দিকে মুখ করতে খুবই ভালবাসতেন। অতঃপর আল্লাহ অবতীর্ণ করলেনঃ "নিশ্চই আমি তোমার আকাশের দিকে মুখ ফিরিয়ে দেখাকে লক্ষ্য করেছি, যে কিবলা তুমি পছন্দ কর"- (আল-বাক্বারাহ ২/১৪৪)। তখন তাকে কাবাহর দিকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। তার সঙ্গে এক ব্যক্তি আসরের সালাত পড়ছিল। এরপর সে বেরিয়ে আনসারীদের এক গোত্রের নিকট দিয়ে অতিক্রম করল এবং সে সাক্ষ্য দিয়ে বলল যে, সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে সালাত পড়ে এসেছে আর কাবার দিকে মুখ ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। তখন তারা দিক পরিবর্তন করলেন। এ সময় তারা আসরের সালাতে রুকূর হালতে ছিলেন।

আনাস ইবন মালিক হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ ত্বলহা আনসারী, আবূ উবাইদাহ ইবন জাররাহ্ ও ইবাই ইবন কা'বকে আধাপাকা খেজুরের তৈরি শরাব পান করাচ্ছিলাম। তখন তাদের কাছে একজন আগন্তুক এসে বলল, শরাব হারাম করে দেয়া হয়েছে। আবূ ত্বলহা বললেন, হে আনাস! তুমি উঠে গিয়ে মটকাগুলো ভেঙ্গে ফেল। আনাস বলেন, আমি উঠে গিয়ে আমাদের ঘটি দিয়ে ওগুলোর তলায় আঘাত করে ভেঙ্গে ফেললাম।

হুযাইফাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নাজরানের অধিবাসীদের উদ্দেশে বললেনঃ আমি তোমাদের জন্য অবশ্য অবশ্যই এমন একজন লোক পাঠাব, যিনি পুরোপুরি বিশ্বস্ত। নবী (ﷺ)-এর সাহাবীরা এর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। অতঃপর তিনি আবূ উবাইদাহকে পাঠালেন।

আনাস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ প্রত্যেক উম্মাতে একজন বিশ্বস্ত লোক থাকে আর এ উম্মাতের বিশ্বস্ত লোক হল আবূ উবাইদাহ ইবন জাররাহ্।

উমার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, এক আনসারী ছিলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট অনুপস্থিত থাকতেন আমি তার কাছে উপস্থিত থাকতাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যা কিছু ঘটত তা আমি তাকে বর্ণনা করতাম। আর যখন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে অনুপস্থিত থাকতাম আর তিনি উপস্থিত থাকতেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যা কিছু ঘটত তিনি এসে তা আমাকে বর্ণনা করতেন।

আলী থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি ক্ষুদ্র সেনাদল পাঠালেন এবং এক ব্যক্তিকে তাদের আমীর নিযুক্ত করে দিলেন। তিনি (আমীর) আগুন জ্বালালেন এবং বললেন, তোমরা এতে প্রবেশ কর। কতক লোক তাতে প্রবেশ করতে যাচ্ছিল। তখন অন্যরা বলল, আমরা তো (মুসলিম হয়ে) আগুন থেকে পালাতে চেয়েছি। অতঃপর তারা এ ঘটনা নবী (ﷺ)-এর নিকট জানাল। তখন যারা আগুনে প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন তাদেরকে বললেনঃ যদি তারা তাতে প্রবেশ করত তাহলে কিয়ামত পর্যন্তই সেখানে থাকত। আর অন্যদেরকে বললেনঃ আল্লাহর নাফরমানীর কাজে কোনরূপ আনুগত্য নেই। আনুগত্য করতে হয় কেবলমাত্র ন্যায়সঙ্গত কাজে।

আবূ হুরাইরাহ ও যায়দ ইবন খালিদ বর্ণনা করেন যে, দু'ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর নিকট একটি মুকাদ্দামা নিয়ে আসল।

পূর্বের হাদিসের মতই (৭২৫৮)।

আবুল ইয়ামান আবূ হুরাইরাহ থেকে এ বর্ণনায় উল্লেখ করা হয় যে, তিনি [আবূ হুরাইরাহ] বলেছেন, আমরা নবী (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় একজন গ্রাম্য লোক দাড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ তাআলার কিতাব অনুসারে আমার ফায়সালা করে দিন। তখন তার বিরোধী লোকটি দাড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি সত্যই বলেছেন, আল্লাহর কিতাব অনুসারে তার ফায়সালা করে দিন এবং আমাকে বলার অনুমতি দিন। নবী (ﷺ) তাকে বললেনঃ তুমি বল। তখন সে বলল, আমার ছেলে এ লোকটির বাড়িতে মজুর ছিল। সে ছেলে এ লোকের স্ত্রীর সঙ্গে যিনা করে। কতক লোক আমাকে বলল যে, আমার ছেলের উপর 'রজম' কার্যকর হবে। তখন আমি মুক্তিপণ হিসাবে একশ বক্রী ও একটি দাসী দেই। অতঃপর আমি আলিমদের নিকট এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করি। তারা আমাকে বললেন যে, তার স্ত্রীর জন্য 'রজম'। আর আমার ছেলের জন্য রয়েছে একশ বেত্রাঘাত ও এক বছরের জন্য দেশান্তরের বিধান। তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ যে সত্তার হাতে আমার প্রাণ, তার শপথ করে বলছি, অবশ্য অবশ্যই আমি তোমাদের দু'জনের মাঝে সেই মহান আল্লাহর কিতাব অনুসারে ফায়সালা করব। বক্রী ও বাদী ফিরিয়ে নাও। তোমার ছেলের জন্য রয়েছে একশ বেত্রাঘাত ও একবছরের জন্য দেশান্তরের হুকুম। অতঃপর তিনি আসলাম গোত্রের এক লোককে ডেকে বললেন, হে উনায়স! তুমি এর স্ত্রীর নিকট যাও, যদি সে স্বীকার করে তাহলে তাকে 'রজম' করো। উনায়স সেই মহিলার নিকট গেলেন, সে স্বীকার করল, তখন তিনি তাকে রজম করলেন।

জাবির হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, খন্দকের দিনে নবী লোকদের ডাকলেন। যুবায়র তাতে সাড়া দিলেন। তিনি তাদেরকে আবার আহবান জানালেন, এবারও যুবায়র সাড়া দিলেন। তিনি আবার তাদের আহবান জানালেন। এবারেও যুবায়র সাড়া দিলেন। তিনবার। তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ প্রত্যেক নবীর একজন হাওয়ারী (সাহায্যকারী) থাকে, আর যুবায়র হচ্ছে আমার হাওয়ারী।

আবূ মূসা আশআরী হতে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) একটি বাগানে প্রবেশ করলেন এবং আমাকে দরজা পাহারা দেয়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। এক লোক এসে প্রবেশের অনুমতি চাইল। তিনি বললেনঃ তাকে অনুমতি দাও এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তিনি ছিলেন আবূ বকর। অতঃপর উমার আসলেন। তিনি বললেনঃ তাকে অনুমতি দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও। তারপর উসমান আসলেন। তিনি বললেনঃ তাকে অনুমতি দাও এবং জান্নাতের সুসংবাদ দাও।

উমার হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আসলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার দোতলার কক্ষে ছিলেন। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কালো গোলামটি দরজার সামনে দাড়ানো। আমি তাকে বললাম, তুমি বল, এইযে উমার ইবন খাত্তাব এসেছে। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন।

ইবন আব্বাস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (পারস্যের বাদশাহ) কিসরার নিকট তার চিঠি পাঠালেন। তিনি দূতকে নির্দেশ দিলেন, সে যেন এ চিঠি নিয়ে বাহরাইনের শাসকের নিকট দেয়। আর বাহরাইনের শাসক যেন তা কিসরার কাছে পৌছিয়ে দেয়। কিসরা এ চিঠি পড়ে তা টুকরা টুকরা করে ফেলল। ইবন শিহাব বলেন, আমার ধারণা ইবন মুসাইয়্যেব বলেছেন যে, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের উপর বদ্ দোয়া করলেন, যেন আল্লাহ তাদেরকেও একেবারে টুকরো টুকরো করে দেন।

সালামাহ ইবন আক্ওয়া হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আশুরার দিন আসলাম কবীলার এক লোককে বললেনঃ তোমার কওমের মধ্যে ঘোষণা কর, কিংবা বলেছিলেনঃ লোকের মাঝে ঘোষণা কর যে, যারা আহার করেছে তারা যেন অবশিষ্ট দিন পূর্ণ করে, আর যারা আহার করেনি তারা যেন সওম রাখে।

আবূ জামরাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবন আব্বাস আমাকে তার খাটে বসাতেন। তিনি আমাকে বললেন, আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধিদল যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আসল। তিনি বললেনঃ এ কোন প্রতিনিধিদল? তারা বলল, আমরা রাবীআ গোত্রের। রাসূলুল্লাহসাঃ বললেনঃ গোত্র ও তার প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ, যারা অপমানিত হয়নি এবং লজ্জিতও হয়নি। তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার ও আমাদের মাঝে মুদার গোত্রের কাফিররা (বাধা হয়ে) আছে। কাজেই আমাদের এমন আদেশ দিন, যাতে আমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি এবং আমাদের পরবর্তীদেরকেও জানাতে পারি। তারা পানীয় দ্রব্যের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করল। তিনি তাদের চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করলেন এবং চারটি বিষয়ের আদেশ করলেন। তিনি তাদেরকে আল্লাহর প্রতি ঈমান আনতে আদেশ করলেন। তিনি বললেনঃ আল্লাহর প্রতি ঈমান কী তোমরা জান? তারা বলল, আল্লাহ ও তার রাসূলই বেশি জানেন। তিনি বললেনঃ সাক্ষ্য দান করা যে, আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তার কোন অংশীদার নেই। আর মুহাম্মাদ (ﷺ) আল্লাহর রাসূল এবং সালাত কায়িম করা, যাকাত দেয়া। ইবন আব্বাস বলেন, আমার মনে হয় তাতে সওমের কথাও ছিল। আর গনীমতের মাল হতে পাচ ভাগের এক ভাগ দাও এবং তিনি তাদের জন্য দুববা (লাউয়ের খোলের পাত্র), হান্তাম (মাটির সবুজ রঙের পাত্র), (মুযাফ্ফাত এক রকম তৈলাক্ত পাত্র), নাকীর (কাঠের খোদাই করা পাত্র) নিষেধ করলেন। কোন কোন বর্ণনায় 'নাকীর'-এর জায়গায় 'মুকাইয়ার' কথাটির উল্লেখ রয়েছে। এবং তিনি তাদের বললেন, এ কথাগুলো ভার। ভাবে মনে রেখ এবং তোমাদের পিছনে যারা আছে তাদের কাছে পৌছে দিও।

তওবা আনবারী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, শা'বী আমাকে বললেন, নবী (ﷺ) থেকে হাসান বর্ণিত হাদীসের (অধিক সংখ্যার) বিষয়টি কি দেখতে পাচ্ছেন না? অথচ আমি ইবন উমার-এর সঙ্গে দু'বছর কিংবা দেড় বছর থেকেছি। কিন্তু তাকে নবী (ﷺ) থেকে এ হাদীস ব্যতীত অন্য কোন হাদীস বর্ণনা করতে শুনিনি। তিনি বলেছেন, নবী (ﷺ)-এর সাহাবীদের মাঝে কতিপয় ব্যক্তি সমবেত ছিলেন, তাদের মাঝে সাদও ছিলেন, তারা গোশ্ত খাচ্ছিলেন। এমন সময় নবী (ﷺ)-এর পত্নীদের কেউ তাদের ডেকে বললেন যে, এটা দবের গোশ্ত। তারা (আহার থেকে) বিরত হয়ে গেলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন খাও বা খাওয়াও, এটা হালাল। কিংবা তিনি বললেনঃ কোন অসুবিধে নেই কোন দোষ নেই। তবে এটা আমার খাদ্য নয়।