আল্লাহর স্মরণার্থে মসজিদে অবসর নেওয়া (ইতিকাফ) (২৬৭১-২৬৮১)
মুহাম্মাদ ইবন মিহরান আর রায়ী .... ইবন উমর থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) রমযান মাসের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন।
আবূ ত্বাহির .... আবদুল্লাহ ইবন উমর থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ (ﷺ) রমযান মাসের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন। নাফি বলেন, মসজিদের যে স্থানে রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইতিফাক করতেন, আবদুল্লাহ ইবন উমার তা আমাকে দেখিয়েছেন।
সাহ্ল ইবন উসমান .... আয়িশাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) রমাযান মাসের শেষ দশকে ইতিকাফ করতেন।
ইয়াহইয়া ইবন ইয়াহইয়া, সাহল ইবন উসমান, আবূ বকর ইবন শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব .... আয়িশাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) রমযানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন।
কুতায়বাহ ইবন সাঈদ.... আয়িশাহ থেকে বর্ণিত। নবী (ﷺ) ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত রমযানের শেষ দশকেই ইতিকাফ করতেন। তার ইন্তিকালের পর তার সহধর্মিণীগণও ইতিকাফ করতেন।
ইয়াহইয়া ইবন ইয়াহইয়া .... আয়িশাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) ইতিকাফ করার ইচ্ছা করলে ফজরের নামাজ আদায়ের পর ইতিকাফের স্থানে প্রবেশ করতেন। একবার তিনি (মসজিদের অভ্যন্তরে) তাবু খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তদানুযায়ী তা খাটানো হল। তিনি রমযানের শেষ দশকে ইতিকাফ করার সংকল্প করলেন। যায়নাব-ও তার তাবু খাটিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হল। অতঃপর নবী (ﷺ) এর অপরাপর স্ত্রীগণও নিজ নিজ তাবুগুলো খাটানোর নির্দেশ দিলেন এবং তা খাটানো হল। ফজরের সালাত শেষে রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকিয়ে তাবুগুলো খুলে ফেলার নির্দেশ দিলেন এবং তা তুলে ফেলা হল। তিনি রমযানের ইতিকাফ ভঙ্গ করলেন এবং শাওওয়াল মাসের প্রথম দশকে কাযা করলেন।
ইবন আবূ উমার ইবন সাওওয়াদ, মুহাম্মাদ ইবন রাফি, সালামাহ ইবন শাবীব ও যুহায়র ইবন হারব .... আয়িশাহ এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে আবূ মুআবিয়াহ বর্ণিত হাদীসের মৰ্মাৰ্থানুযায়ী বর্ণিত হয়েছে। ইবন উয়াইনাহ, আমর ইবন হারিস ও ইবন ইসহাকের বর্ণনায় আয়িশাহ, হাফসাহ ও যায়নাব সম্পর্কে উল্লেখ আছে যে, তারা ইতিকাফের উদ্দেশে তাবু খাটিয়েছিলেন।
ইসহাক ইবন ইবরাহীম আল হানযালী ও ইবন আবূ উমর .... আয়িশাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রমাযানের শেষ দশক শুরু হবার সাথে সাথে রসূলুল্লাহ (ﷺ) সারা রাত জেগে থাকতেন ও নিজ পরিবারের সদস্যদের ঘুম থেকে জাগাতেন এবং তিনি নিজেও ইবাদাতের জন্য জোর প্রস্তুতি নিতেন।
কুতায়বাহ ইবন সাঈদ ও আবূ কামিল আল জাহদারী .... আয়িশাহ বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) অন্যান্য সময়ের তুলনায় রমযানের শেষ দশকে অধিক পরিমাণে এমনভাবে সচেষ্ট থাকতেন যা অন্য সময়ে থাকতেন না।
আবূ বকর ইবন আবূ শায়বাহ, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক (রহিমাহুমুল্লাহ-) .... আয়িশাহ্ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (ﷺ) কে (যিলহজ্জের) দশ দিনে কখনও সওম পালন করতে দেখিনি।
আবূ বকর ইবন নাফি আল আবদী .... আয়িশাহ থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) কে (যিলহাজের) দশ দিনে সওম পালন করেননি।